মৃন্ময় দেব
রামধনুর সাতটা রঙের কথা প্রকাশ করায় নিউটনের ওপর বেজায় চটেছিলেন কবি জন কীটস। তাঁর বক্তব্য এই ছিল যে, এর দরুণ রামধনুর রহস্য (সৌন্দর্য) নাকি হারিয়ে গেল এবং তা নিয়ে নাকি আর কবিতা লেখা যাবে না। কথাটা মিথ্যে প্রমাণিত হয়েছে, যেহেতু রামধনু নিয়ে তার পরেও কবিতা লেখা হয়েছে, আজও লেখা হচ্ছে। কথাটা কেন এলো বলি। বহুদিন যাবৎ একটা ধারণা বদ্ধমূল হয়ে আছে যে শিল্প ও সৌন্দর্যবোধের সঙ্গে বিজ্ঞানের সম্পর্কটি বুঝি বৈরিতার। এরকম ধারণা প্রচলিত হওয়ার মূলে বহু জ্ঞানী-গুণী মানুষের ধারণা, মতামত এবং মন্তব্য বহুলাংশে দায়ী। কবি-সাহিত্যিক, সঙ্গীত কিংবা চিত্রশিল্পীদের অনেকেই এমন ধারণা পোষণ করেন যে শিল্প ও বিজ্ঞান হচ্ছে দুটো সম্পূর্ণ আলাদা এবং পরস্পরবিরোধী এলাকা। ইংরেজিতে যাকে বলে water-tight compartment সেরকম বদ্ধ কক্ষ যেন, একটি থেকে অন্যটিতে প্রবেশের পথ চিররুদ্ধ। ঘটনা কিন্তু আসলে তা নয়। অভিজ্ঞতাও সে সাক্ষ্য দেয় না। বিজ্ঞানের খুঁটিনাটি বিষয় সাধারণের পক্ষে (শিল্পী-সাহিত্যিকরাও এক্ষেত্রে সাধারণ বর্গেরই অন্তর্ভুক্ত) বুঝে ওঠা হয়ত সম্ভব নয়। কিন্তু একজন বিজ্ঞানীর সৌন্দর্যবোধ বা শিল্পবোধ থাকা সম্ভব নয় এমন কথা আহাম্মকেও নিশ্চয় বলবে না। আইনস্টাইন থেকে শুরু করে আমাদের জগদীশ চন্দ্র বসু-মেঘনাদ সাহা চন্দ্রশেখর-রামানুজন-এর মত বিজ্ঞানীরা তার দৃষ্টান্ত।
সৌন্দর্যের প্রতি, শিল্পের প্রতি আকর্ষণ মানুষের সহজাত। মানুষ, সে যে কোনো স্তরের হোক না কেন, নিজের কাজকে সৌন্দর্যমণ্ডিত করতে চেষ্টার ত্রুটি রাখে না। শিল্পীও না, বিজ্ঞানীও না। কিন্তু সৌন্দর্যবোধ বস্তুটি আসলে কী? সে কি কেবল বিষয়ীগত ব্যাপার? ‘সুন্দর যদি করে গো তোমারে আমার আঁখির ভুল, বলো তাহে কার ক্ষতি’ কিংবা ‘আমারই চেতনার রঙে পান্না হল সবুজ’ মার্কা ব্যাক্তিগত বোধের নৈপুণ্য? এই বিষয়টাকেই নাহয় একটু নেড়েচেড়ে দেখা যাক। তবে সে প্রসঙ্গে যাবার আগে আরেকটা কথাও বলে নেওয়া দরকার। সৌন্দর্যের (এবং সাধারণ ভাবে শিল্পকলারও) নির্দিষ্ট কোনো সংজ্ঞা নেই, মানবমনে সৃষ্ট প্রতিক্রিয়ার নিরিখেই সৌন্দর্যের ও সৃজনশীলতার অস্তিত্ব স্বীকার করে নেওয়া হয় মূলত। কবি কীটস কিন্তু সৌন্দর্যের সংজ্ঞা নির্ধারণ করতে গিয়ে অন্যত্র বলেছিলেন – Beauty is truth, truth is beauty.- অথচ রামধনুর সাত রঙা বৈজ্ঞানিক সত্যের কাছে এসে তাঁর নিজের মন্তব্য ও সত্যের উপলব্ধি হোঁচট খেয়েছে। তর্কের একগুঁয়েমিতে হয়ত বলা যায় যে এ হচ্ছে ‘বস্তুর সত্য’, শিল্পের সত্য ভিন্ন বস্তু (?)। বোঝা যায় না, উপলব্ধির জিনিস।
তো আমরা এ নিয়ে সেরকম কোনো গূঢ় তর্কে সময় নষ্ট না করে বরং মূল প্রসঙ্গে ফিরে আসি। ফুল-পাখি-গাছ-লতা-পাতা-নদী-পাহাড়-সমুদ্র সদৃশ যে সমস্ত মূর্ত বস্তু কিংবা কবিতা-গান-ছবি-নাচ ইত্যাদি যেসব বিমূর্ত বস্তু আমাদের কাছে সুন্দর বলে প্রতিভাত হয় তার মধ্যে একটা বিশেষ বিন্যাস (pattern) লক্ষ্য করা যায়, সাংগঠনিক এক সুষমতা (harmony) দৃষ্টিগোচর হয়। অর্থাৎ, আকার ও বিন্যাসগত বৈশিষ্ট দেখতে পাওয়া যায়। প্রথম ক্ষেত্রে বস্তু সমূহের বর্তমান রূপ বিবর্তিত রূপ। দ্বিতীয় ক্ষেত্রে আয়ত্ত করে নেওয়ার একটা ব্যাপার রয়েছে যদিও এই আয়ত্ত করে নেওয়ারও এক বিবর্তন মূলক ইতিহাস রয়েছে। গুহা চিত্র থেকে আধুনিক চলচ্চিত্র অবধি যার বিস্তার। একই ভাবে রঙ-বেরঙের ফুলও যে বেঁচে থাকার ও প্রজাতি সংরক্ষণের তাগিদেই বিবর্তনের মধ্যে দিয়ে রঙীন হয়ে কীট-পতঙ্গকে আকর্ষণ করার ক্ষমতা লাভ করেছে সে তথ্যও আর অজানা নয়। তাহলে দেখা যাচ্ছে ব্যাপারটা আদৌ বিষয়ীগত কিছু নয়। সেই যে এক শিল্পী বন্ধু একটা সুন্দর ফুল দেখিয়ে বিজ্ঞানীকে বলেছিলেন, ‘দেখুন, কী সুন্দর ফুল! কিন্তু আপনি তো (কৌতুহল মেটানোর জন্য) এক্ষুনি এর পাপড়িগুলোকে ছিঁড়ে কুটিকুটি করে এর সৌন্দর্য নষ্ট করে ফেলবেন’। উত্তরে, মৃদু হেসে বিজ্ঞানী বলেছিলেন, ‘আপনি এখানেই ভুল করছেন, বাইরের এই সৌন্দর্যটা আমিও দেখছি, কিন্তু আমরা আরো গভীরে, অণু-পরমাণু স্তরে পৌঁছে এর এক একটা কোষ কীভাবে বিন্যস্ত হয়ে পাপড়িগুলোর সৌন্দর্য সৃষ্টি করেছে তাও দেখি। আমরা এর ভেতরের সৌন্দর্যটাও দেখতে পাই, আপনি যা কল্পনাও করতে পারেন না’।
কল্পনার কথা যখন এলো তখন বলি, কবি-শিল্পী মানুষেরা মেধার সঙ্গে কল্পনাশক্তির মিশেল দিয়েই শিল্প সৃষ্টি করে থাকেন, এবং তার জন্য তাদের অহমিকাও বর্তমান। তাই বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে তারা ‘নির্মাণ’ কথাটা ব্যবহার করেন এবং শিল্পের বেলায় ‘সৃষ্টি’ কথাটা ব্যবহার করতে পছন্দ করেন। বাস্তবে কিন্তু একজন বিজ্ঞানীকেও প্রাথমিক ভাবে কল্পনায় ভর করেই এগোতে হয়, কল্পনাশক্তি বিহনে কোনো আবিষ্কারই বোধহয় সম্ভব হত না, সম্ভব নয়। রাতের আকাশে যে তারাটির দিকে তাকিয়ে গবেষণায় মগ্ন হন জ্যোতির্বিজ্ঞানী, তাকে কিন্তু কল্পনা করে নিতে হয় যে ওই তারাটি থেকে পৃথিবীতে আলো এসে পৌঁছতে কেটে গেছে কত লক্ষ লক্ষ বৎসর! তাহলেই বুঝুন, যেমন ভাবা হয়, শিল্প আর বিজ্ঞান তেমন কোন বিভাজিত জল-আঁট (water tight) কক্ষ নয় মোটেই। আকাশে ওড়ার অদম্য স্বপ্ন যদি না থাকত উড়োজাহাজের নির্মাণ কি বাস্তবে সম্ভব হত! আসলে সাহিত্য-সঙ্গীত-চিত্রকলা ইত্যাদি শিল্পকলার বিভিন্ন শাখার ক্ষেত্রে যে সৃষ্টিশীলতা ক্রিয়াশীল থাকে বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের পেছনেও সেই একই মানবিক সৃষ্টিশীলতা বর্তমান। এটা বুঝতে না-পারার ফলেই ভুল ধারণা ঘাঁটি গেড়ে বসে মনের কোণে।
সৌন্দর্যের প্রতি, শিল্প-বস্তুর প্রতি আকৃষ্ট হওয়া এবং বস্তুতে সৌন্দর্য আরোপ করা এক মানবিক প্রবণতা। যে কোনো সুন্দর বস্তু, মূর্ত কিংবা বিমূর্ত যাই হোক না কেন, মানুষের (মস্তিষ্কের) ওপর অনিবার্য প্রতিক্রিয়া করে। আনন্দের উপলব্ধি ঘটে। এবারে ‘আত্মা’, ‘ঈশ্বর’ গোছের বিশ্বাসের (যার কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই) বশবর্তী না হলে এরকম প্রতিক্রিয়া কেন হয়, কিভাবে হয় ইত্যাদি প্রশ্নের সম্মুখীন না হয়ে গত্যন্তর নেই। আর ঠিক এখানেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে শিল্পবস্তুর কিংবা সৌন্দর্যের আবেদন সৃষ্টিতে মস্তিষ্কের ভূমিকার বিষয়টি। প্রাণের উদ্ভব থেকে শুরু করে সমাজ বিকাশের ধারা তথা মানবিক বৈশিষ্ট ও বৃত্তি সমূহকে (শিল্প ও সৌন্দর্যের প্রতি অনুরাগও তার অন্তর্গত) বিবর্তনের নিয়ম গুলোর সাহায্যে বহুদূর অব্দি অনুধাবন ও ব্যাখ্যা করা সম্ভব। এবং বিবর্তনের প্রক্রিয়াটি যে বস্তুত পদার্থবিদ্যার নিয়মগুলোকে (laws of physics) অনুসরণ করে সে বিষয়ে সন্দেহের অবকাশ মাত্র নেই। কথাগুলো বলার উদ্দেশ্য কেবল এটা দেখানো যে আমাদের সৌন্দর্যের ধারণা (sense of beauty) ‘আকাশ থেকে পড়া’ কিংবা ‘ঈশ্বর প্রদত্ত’ বস্তু নয় আদৌ। বিজ্ঞান ও শিল্প-সাহিত্য দুই মেরুতে অবস্থান করে না, এবং সম্পর্করহিতও নয়। অথচ এই ‘মিথ’ তৈরিতে আজও ইন্ধন যুগিয়ে চলেছেন বহুজনশ্রদ্ধেয় গুণী জনেরাও –অজ্ঞানে অথবা সজ্ঞানে।
এবারে বক্তব্যের সপক্ষে কিছু সাক্ষী-সাবুদ পেশ করা যাক। গর্ভস্থ ভ্রূণেও সঙ্গীতের (music) মূর্ছনা যে সাড়া জাগায় তা আজ বৈজ্ঞানিক পরীক্ষায়ও প্রমাণিত (এবং সঙ্গীতের শ্রেষ্ঠতা বোঝাতে এ দৃষ্টান্ত সঙ্গীতপ্রেমীরাই প্রায়শ হাজির করেন)। বিবর্তনবাদ ছাড়া এর অন্য কোনো ব্যাখ্যা সম্ভব? বিশ্বের বিখ্যাত ও জনপ্রিয় ধ্রুপদী এবং আধুনিক সঙ্গীতের স্বর-বিন্যাস বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা দেখিয়েছেন যে গাণিতিক নিয়মানুসারে সেগুলোকে সূত্রবদ্ধ করা সম্ভব। বস্তুত সঙ্গীত এবং কোলাহলের মধ্যে পার্থক্য তো এই যে প্রথমটি সুশৃঙ্খল ও সুবিন্যস্ত; আর দ্বিতীয়টি অবিন্যস্ত, বিশৃঙ্খল। নিসর্গ-চিত্র আমাদের সবাইকে আকৃষ্ট করে, আনন্দ দেয়। তা কি নিরাপদ স্থলভূমির নির্বাচন ও অভিযোজনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়? হিংস্র শ্বাপদকুলের হাত থেকে বাঁচতে প্রজাতি হিসেবে মানুষ যে সমতল ভূমিকেই বাছাই করেছিল সে তো দিনের আলোর মত স্পষ্ট। এই সাক্ষীসাবুদ পেশের অর্থ অবশ্য এ নয় যে শিল্প উপভোগের জন্য এসব বিষয় জানা জরুরি। স্বাদু আহারের স্বাদ গ্রহণের জন্য রসনার অস্তিত্বই যথেষ্ট, রন্ধনপ্রণালী সম্পর্কে জ্ঞান অপরিহার্য নয়। যেমন, স্পর্শের অনুভূতি আমাদের ত্বকে সাড়া জাগায় স্নায়ুতন্ত্রের মাধ্যমে, সে তথ্য জানা না থাকলেও সাড়া জাগে। নদীতে অবগাহনে যে আনন্দ তা যদি কোন অনুসন্ধিৎসু ব্যক্তিকে নদীর উৎস-সন্ধানে অনুপ্রাণিত করে তাতে অবগাহনের আনন্দ মাটি হয় না নিশ্চয়। একজন বিজ্ঞানী এই অনুসন্ধিৎসা নিয়েই সুন্দরের প্রতি নিবিষ্ট হন, সৌন্দর্যের ঘাতক হিসেবে নয় –যেরকম ভাবা হয়ে থাকে বহুক্ষেত্রে। আইনস্টাইন তাই ভায়োলিন বাজান, বলতে পারেন "Pure mathematics is, in its way, the poetry of logical ideas." জগদীশ চন্দ্র বসু ‘কবিতা ও বিজ্ঞান’ নামে প্রবন্ধ লেখেন, এমন কি একালের বিজ্ঞানী চন্দ্রশেখরও ‘Truth and Beauty’ রচনা করেন।
কাজেই সৌন্দর্যবোধ (এবং শিল্পবোধও) সম্পূর্ণ বিষয়ীগত (subjective) ব্যাপার নয়। একটা বিষয়গত (objective) দিকও বর্তমান রয়েছে। আপাতভাবে বিষয়ীগত মনে হলেও তার মূলে রয়েছে কার্য-কারণ সম্পর্ক (cause effect relation)। এই দিকটা খেয়াল থাকে না বলেই বহু মানীগুণী মানুষও ভুল বোঝেন, ভুল বোঝান। যুক্তির বদলে আবেগকে বেশি প্রাধান্য দেবার জন্যই এমনটা ঘটে। এও ঠিক যে নিরেট যুক্তি দিয়ে জীবন চলে না, আবেগেরও প্রয়োজন আছে। তবে যে আবেগ বেগ কেড়ে নেয় তা নয়, বরং যে আবেগ জীবনপ্রবাহকে সমাজকে সজীব ও সতেজ রাখে সেই আবেগ প্রয়োজন। যুক্তির, বৈজ্ঞানিক যুক্তি পরম্পরার অবিহনে সে সজীবতা সতেজতা লভ্য নয়। মানবেতর জীব আবেগ-সর্বস্ব, কিন্তু মানুষের চেতনা আছে। মানবিক আবেগ তাই যুক্তি বর্জিত নয়, মানবিক যুক্তিও আবেগশূন্য নয়। বিজ্ঞানে যদি যুক্তির প্রাধান্য, শিল্প-সাহিত্য-সঙ্গীতে-চিত্রকলায় তবে আবেগের প্রাচুর্য। দুয়ে মিলেই সম্পূর্ণ সত্তা। শিল্প ও বিজ্ঞান তাই একে অন্যের পরিপূরক, পরস্পর বিচ্ছিন্ন নয়। বিজ্ঞান রহস্য-উন্মোচন করে সৌন্দর্য হরণ করে না, বরং এক পা এগিয়ে নতুন রহস্যের দুয়ারে এনে দাঁড় করায়। সৃজনশীল মনের জন্য, শিল্পীর তুলির জন্য যেমন, বিজ্ঞানীর গবেষণাগারের জন্যও নতুন রসদ যোগায়। কেননা, জানার তো শেষ নেই, এক জানা অনেক অজানাকে সামনে নিয়ে আসে।
পৃথিবী জুড়ে আজ চারুকলা ও বিজ্ঞানের সম্পর্ক নিয়ে, সৌন্দর্যবোধ তথা শিল্পবোধ নিয়ে চিন্তা উদ্রেককারী নানান ভাবনা-চিন্তা, গবেষণা চলছে। যেসব তথ্য উঠে আসছে তাতে সৌন্দর্য ‘বোঝার নয়, উপলব্ধির বিষয়’ –Beauty is to be perceived, not understood – জাতীয় উক্তির ক্লিশে প্রাসঙ্গিকতা হারিয়েছে। বিজ্ঞানের নয়া শাখা Computational Aesthetics তৈরি হয়েছে এই বিষয়ে অধ্যয়নের জন্য। Science of Aesthetics আজ বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানের এক স্বীকৃত ও জরুরি বিষয় হিসেবে মান্যতা পেয়েছে। এ প্রসঙ্গে ব্রিটিশ গণিতজ্ঞ, কবি, লেখক, নাট্যকার, আবিষ্কারক, ‘The Ascent of Man’ গ্রন্থের রচয়িতা বিজ্ঞানী Jacob Bronowski-র অসাধারণ একটি মন্তব্য উদ্ধার করার লোভ সম্বরণ করা গেল না কিছুতেই – ‘‘We re-make nature by the act of discovery, in the poem or in the theorem. And the great poem and the deep theorem are new to every reader, and yet are his own experiences, because he himself re-creates them. They are the marks of unity in variety; and in the instant when the mind seizes this for itself, in art or in science, the heart misses a beat.”
ওই একটি ‘বীট’ (beat)যাতে ফসকে না যায় তার জন্যই এই ‘অফ-বীট’ রচনা। এছাড়া এ লেখার সপক্ষে আর কোনো কৈফিয়ত নেই।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন